আয় রোজগার বন্ধ, ঘরে খাবার নেই। অন্যদিকে বাসা ভাড়ার চাপ।

আয় রোজগার বন্ধ, ঘরে খাবার নেই। অন্যদিকে বাসা ভাড়ার চাপ।
আয় রোজগার বন্ধ, ঘরে খাবার নেই। অন্যদিকে বাসা ভাড়ার চাপ।

খোকন সাহেবের তিন ছেলে মেয়েসহ মোট ৫ সদস্যের সংসার। মিনারেল ওয়াটার সহ কয়েকটি পণ্য পাইকারি ক্রয় করে বিভিন্ন এলাকায় হোটেলে সাপ্লাই দিয়ে যা আয় হত তা দিয়ে স্ত্রী সন্তান নিয়ে রাজধানীর মান্ডা এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করতেন।করোনা মহামারীর কারণে সারা দেশ দীর্ঘদিন লক ডাউন থাকায় তার বিজনেস বন্ধ হয়ে যায়। পরে যান আর্থিক সংকটে।লক ডাউনের মেয়াদ বাড়ার সাথে সাথে বেড়ে যায় দুশ্চিন্তা। আয় রোজগার বন্ধ, ঘরে খাবার নেই। অন্যদিকে বাসা ভাড়ার চাপ।খুদার যাতনায় তিন বছরের শিশুর কান্না যখন কানে আসে, তখন করোনার ভয় তার কাছে তুচ্ছ মনে হয়। কাজের সন্ধানে বের হয়েও দিন শেষে বাসায় ফিরতে হয় খালি হাতে।এরা মধ্যবিত্ত, এদের কান্না কারো কানে বাজেনা। এদের সাহায্যেও কেউ এগিয়ে আসেনা।মানবিক বন্ধনের সেচ্ছাসেবক আমাদের এক বন্ধু এই পরিবারটির কথা আমাদের ইনবক্সে ও ফোনের মাধ্যমে জানায়।আমরা তার সাথে যোগাযোগ করে চাল, ডাল, তেল, পেঁয়াজ, হুইল সাবান, লাক্স সাবান, হুইল পাউডার, লবণ ও কিছু ক্যাশ টাকা তাকে পৌঁছে দেই।আমাদের দেয়া খাদ্য সামগ্রী দিয়ে তিনি হয়তো মাস খানেক চলতে পারবেন। এরপর তিনি কিভাবে চলবেন। কিভাবে থামাবেন শিশু সন্তানের খুদার যাতনায় কান্না??বিঃদ্রঃ পরিবারটি মধ্যবিত্ত হওয়ায় উপহার সামগ্রী গ্রহণকারীর ছবি প্রকাশ করা হয়নি।

Leave a Reply

Your email address will not be published.